বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত অনলাইন বেটিং পেমেন্ট সিস্টেম। in7-এ টাকা পাঠানো ও তোলা দুটোই সহজ, নিরাপদ এবং কোনো লুকানো চার্জ নেই।
in7-এ কোন পদ্ধতিতে কত দ্রুত লেনদেন হয়।
বাংলাদেশের এক নম্বর মোবাইল ব্যাংকিং। in7-এ বিকাশ দিয়ে ডিপোজিট করলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যালেন্স যোগ হয়।
ডাক বিভাগের অফিশিয়াল মোবাইল ব্যাংকিং। in7-এ নগদ দিয়ে লেনদেন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও দ্রুত।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। in7-এ রকেট দিয়ে যেকোনো সময় সহজে পেমেন্ট করুন।
যেকোনো বাংলাদেশি ব্যাংক থেকে সরাসরি in7 অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করুন। বড় পরিমাণের জন্য আদর্শ।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পেমেন্টের বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের একটা সাধারণ চিন্তা থাকে — টাকা কি নিরাপদ থাকবে? উইথড্র করতে গেলে ঝামেলা হবে না তো? in7 এই দুটো প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে কাজে, কথায় নয়।
ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেট — যেখান থেকেই হোক, in7-এ বিকাশ দিয়ে টাকা পাঠালে সাথে সাথেই গেমিং ব্যালেন্সে যোগ হয়। কোনো ম্যানুয়াল অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। সিস্টেম সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়, তাই দিনরাত যেকোনো সময় ডিপোজিট করা যায়।
উইথড্রর ক্ষেত্রে in7-এর গড় প্রসেসিং সময় মাত্র ৫ মিনিট। অনেকেই জানেন না যে বেশিরভাগ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উইথড্র পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। in7 সেই অভিজ্ঞতাকে পাল্টে দিয়েছে।
সমস্ত লেনদেন SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার মোবাইল ব্যাংকিং পিন বা ব্যাংক পাসওয়ার্ড কখনো in7-এর সাথে শেয়ার করতে হয় না — শুধু নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে সেন্ড মানি করলেই হয়।
বিকাশে ডিপোজিটের ধাপগুলো — অন্য পদ্ধতিতেও একইরকম।
অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে "ডিপোজিট" বাটনে ক্লিক করুন। মোবাইল বা ডেস্কটপ যেটা সুবিধাজনক।
বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক — যেটা আপনার কাছে আছে সেটা বেছে নিন।
ন্যূনতম ৫০০ টাকা থেকে শুরু। যত টাকা ডিপোজিট করতে চান সেটা লিখুন।
in7 পেমেন্ট নম্বরে নির্ধারিত পরিমাণ সেন্ড করুন। ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করুন।
কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আপনার in7 অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স যোগ হয়ে যাবে।
জেতার টাকা মাত্র কয়েক ধাপে নিজের নম্বরে পান।
লগইন করে "উইথড্র" অপশনে ক্লিক করুন। ওয়ালেটের বর্তমান ব্যালেন্স দেখা যাবে।
কোন নম্বরে টাকা পাঠাবেন এবং কত টাকা উইথড্র করবেন সেটা উল্লেখ করুন।
তথ্য যাচাই করে সাবমিট করুন। OTP বা পিন দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে হতে পারে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৩ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যেই আপনার মোবাইলে টাকা পৌঁছে যাবে।
প্রথমবার উইথড্রর আগে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন করতে হয়। এটা একবারের প্রক্রিয়া এবং মাত্র কয়েক মিনিট সময় নেয়।
বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং এখন প্রায় সবার হাতের মুঠোয়। গ্রাম থেকে শহর, সারাদেশে বিকাশ ও নগদ ব্যবহারকারীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তাই in7-এ সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় এই দুটো পদ্ধতিতে।
বিকাশে পেমেন্টের বড় সুবিধা হলো এটা ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন চলে। রাত ৩টায়ও বিকাশে ডিপোজিট করলে in7-এ সাথে সাথে ব্যালেন্স যোগ হয়। নগদের ক্ষেত্রেও একই কথা। এই নিরবচ্ছিন্ন সেবাই ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের কারণ।
আরেকটা বড় সুবিধা হলো কোনো চার্জ নেই। বিকাশে টাকা পাঠাতে সাধারণত কিছু চার্জ লাগে, কিন্তু in7 সেই চার্জ নিজে বহন করে। ফলে আপনি যতটা ডিপোজিট করবেন, পুরোটাই আপনার ব্যালেন্সে যোগ হয়।
সুন্দরবনের কাছে বাগেরহাট থেকে ময়মনসিংহের চরাঞ্চল — যেখানেই থাকুন, মোবাইলে in7-এ পেমেন্ট করা যায়। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যথেষ্ট।
কোন পদ্ধতি আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সেটা বেছে নিন।
| পদ্ধতি | ন্যূনতম ডিপোজিট | সর্বোচ্চ ডিপোজিট | ডিপোজিট সময় | উইথড্র সময় | চার্জ |
|---|---|---|---|---|---|
| 📱 বিকাশ | ৳৫০০ | ৳২,০০,০০০ | তাৎক্ষণিক | ৩–৫ মিনিট | ০% |
| 💚 নগদ | ৳৫০০ | ৳১,৫০,০০০ | তাৎক্ষণিক | ৩–৫ মিনিট | ০% |
| 🚀 রকেট | ৳৫০০ | ৳১,০০,০০০ | তাৎক্ষণিক | ৫–১০ মিনিট | ০% |
| 🏦 ব্যাংক ট্রান্সফার | ৳৫,০০০ | সীমাহীন | ১৫–৩০ মিনিট | ১–৩ ঘণ্টা | ০% |
অনলাইনে টাকা পাঠানোর আগে সবার মনে একটাই প্রশ্ন আসে — এটা কি সত্যিই নিরাপদ? in7-এর পেমেন্ট সিস্টেম কিভাবে আপনার অর্থ সুরক্ষিত রাখে, সেটা সহজভাবে বলা যাক।
আপনার প্রতিটি লেনদেনের তথ্য ব্যাংক-মানের এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। কেউ মাঝপথে তথ্য চুরি করতে পারে না।
উইথড্র করার সময় OTP বা PIN যাচাই করা হয়। এতে অন্য কেউ আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারে না।
in7 কখনো আপনার বিকাশ পিন, নগদ পিন বা ব্যাংক পাসওয়ার্ড জানতে চায় না। শুধু নিজে সেন্ড মানি করুন।
প্রতিটি ডিপোজিট ও উইথড্রের রেকর্ড আপনার অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকে। যেকোনো সময় দেখতে পারবেন।
শুধু দ্রুত নয়, সুবিধাজনকও।
ডিপোজিট করার সাথে সাথে ব্যালেন্স যোগ হয়। ম্যাচ শুরুর আগেই বেট করতে পারবেন।
প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস। প্রতি সপ্তাহে রিলোড বোনাসও পাওয়া যায়।
লেনদেনে কোনো সমস্যা হলে ২৪/৭ বাংলায় কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন।
ডিপোজিট থেকে উইথড্র সব কিছু মোবাইলে করা যায়। আলাদা অ্যাপ লাগে না।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় এখন মোবাইল ইন্টারনেট পৌঁছে গেছে। রংপুরের একজন কৃষক পরিবারের ছেলে থেকে শুরু করে ঢাকার অফিসপাড়ার তরুণ — সবাই in7-এর পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন একই সহজে।
গ্রামের দিকে অনেক সময় ব্যাংক শাখা দূরে থাকে, কিন্তু বিকাশ বা নগদের এজেন্ট প্রায় সব জায়গায় আছে। তাই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে in7-এ অংশগ্রহণ করা সবার জন্য সমানভাবে সহজ।
অনেক সময় দেখা যায় উইথড্র করতে গেলে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়, ওয়েজারিং রিকোয়্যারমেন্টের নাম করে আটকে রাখা হয়। in7-এ বোনাসের শর্তগুলো পরিষ্কারভাবে লেখা থাকে। কোনো লুকানো নিয়ম নেই। যা বলা হয়, তাই হয়।
প্রতিদিন হাজারো মানুষ in7-এ সফলভাবে টাকা তুলছেন। এই আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। পেমেন্ট নিয়ে কোনো সমস্যা হলে কাস্টমার কেয়ার টিম বাংলায় সাহায্য করতে সবসময় প্রস্তুত।
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর।